Skip to main content

Posts

রাজ্যে ফ্যাসিবাদী আগ্রাসনের নতুন পরিকল্পনার মোকাবিলা করুন

ডিসেম্বর মাসে ঠিক কী হবে কেউ বলতে পারছে না। তবে বিজেপি যে কিছু একটা গোলমাল করার চেষ্টা করবে এই নিয়ে সকলেই প্রায় নিশ্চিত ।  স্বয়ং মমতা ব্যানার্জি ক্যাবিনেট মিটিং-এ ডিসেম্বর নিয়ে মন্ত্রীদের সাবধান থাকতে বলেছেন বলে সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর।  বিজেপি হয় মহারাষ্ট্রের মত এখানেও একজন একনাথ শিন্ডেকে খুঁজে বের করবে।   টাকা দিয়ে তৃণমূলের বিধায়কদের একাংশকে কিনে রাজা সরকার ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করবে৷ ইতিমধ্যেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সেরকমই একটা ঈঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন।  অথবা উত্তরবঙ্গ এবং বিহারের পূর্বাঞ্চলের চারটি জেলা নিয়ে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তৈরী করবে।  এরকম কথা মূলধারার মিডিয়া থেকে শুরু করে রাজনীতিবিদ - অনেকের মুখেই শোনা যাচ্ছে । স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সম্ভবত সেই লক্ষ্যেই কিছুদিন আগে বিহারের কিষানগঞ্জে গিয়ে বৈঠক করেছেন। রাজবংশীদের নেতা অনন্ত মহারাজও কয়েকদিন আগে কুচবিহার আলাদা রাজ্য হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন ।  দার্জিলিঙের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্ত এবং বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের সঙ্গে সিপিএম নেতা অশোক ভট্টাচার্যের বৈঠকের পিছনেও এই কারণ আছে বলে অনেকে মনে করছেন ।...

পত্রিকার নতুন টেলিগ্রাম চ্যানেল

'আরেকটা কলকাতা' পত্রিকার টেলিগ্রাম চ্যানেলের পথ চলা শুরু হলো আজ থেকে । এখন থেকে এই ব্লগ এবং আমাদের ফেসবুক পেজ ছাড়াও টেলিগ্রাম চ্যানেলে নিয়মিত পোস্ট ও আপডেট দেওয়া হবে । আপনারা অনুগ্রহ করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন এবং আমাদের ফেসবুক পেজটি লাইক ও ফলো করুন। আপনাদের সহোযোগিতা একান্ত কাম্য । টেলিগ্রাম চ্যানেল লিঙ্ক  : t.me/arekta_kolkata ফেসবুক পেজ লিঙ্ক : https://www.facebook.com/profile.php?id=100070203996173

ইউক্রেনে যুদ্ধ ও রাশিয়ার ভবিষ্যৎ

ইউক্রেনে যুদ্ধে রাশিয়া যেভাবে ক্রমশ কোণঠাসা হয়ে পড়ছে তাতে পুতিন যদি কম-ক্ষমতা সম্পন্ন ট্যাকটিক্যাল পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করে ফেলে তাহলে অবাক হওয়ার কিছু নেই ।  এই ধরনের উগ্র,  যুদ্ধবাজ নেতারা কোণঠাসা হয়ে গেলে যা ইচ্ছে তাই করতে পারে।  ইউক্রেনের যুদ্ধে হেরে গেলে সেটা পুতিনের জন্য শুধু যুদ্ধে পরাজয়ই হবে না,  নিজের দেশে ক্ষমতা ধরে রাখার প্রশ্ন হয়ে যাবে।  তাই পুতিন যে কোনও মূল্যে ইউক্রেনে যুদ্ধ জিততে চাইবে।  আর সেটা না হলে অন্তত জেলেন্সকির  সাথে একটা সম্মানজনক রফায় আসতে চাইবে। যাতে দেশে জনগণের সামনে রাশিয়ান রাষ্ট্র এবং পুতিনের নেতৃত্বের দুর্বলতা প্রকট না হয়ে যায় ।  এমনিতেই দেশের ভিতরে পুতিনের বিরুদ্ধে প্রবল ক্ষোভ তৈরী হয়েছে বলে খবর ।  সাধারণ মানুষের মধ্যে তো বটেই।  এমনকি পুতিনের ঘনিষ্ঠ আমলা এবং সেনা-কর্তাদের মধ্যেও । বিরোধীদের ওপর নিয়মিত দমন-পীড়ন চলছে।  কিন্তু তাতেও বিক্ষোভ থামানো যাচ্ছে না ।  ওদিকে, গুজব শোনা যাচ্ছে যে চীনে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি  হু জিনতাও-এর গোষ্ঠী বর্তমান রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং'কে ক্ষমতাচ্যুত করতে চাইছে। এই গু...

ইউক্রেইনের বর্তমান যুদ্ধপরিস্থিতি কী ঈঙ্গিত দিচ্ছে

ইউক্রেইনের কিছু জায়গা থেকে রাশিয়ার সেনাবাহিনী পিছু হঠছে বলে খবর ।  যদিও এই পশ্চাদপসরণ সামগ্রিক যুদ্ধ পরিস্থিতির ওপর কী প্রভাব ফেলবে তা এই মুহুর্তে বলা মুশকিল।   ইউক্রেইনের তুলনায় রাশিয়ার সামরিক শক্তি অনেক বেশী ।  পৃথিবীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই সম্ভবত একমাত্র দেশ যা সামরিক ভাবে রাশিয়ার চেয়েও শক্তিশালী। রাশিয়ার কাছে এমন অনেক অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্র আছে যা  আমেরিকার কাছেও নেই। তা সত্ত্বেও দীর্ঘ কয়েকমাস যুদ্ধ চালিয়েও রাশিয়া ইউক্রেইনের ২০-২৫ শতাংশের বেশী এলাকা দখল করতে পারেনি ।  তার মধ্যে অধিকাংশই রাশিয়ানভাষী অধ্যুষিত এলাকা।  যেখানে গত কয়েক বছর ধরেই ইউক্রেইন থেকে  স্বাধীন হওয়ার আন্দোলন  চলছিল ।  ঝটিকা আক্রমণ চালিয়ে রাজধানী কিয়েভ অবধি গিয়েও রাশিয়ান বাহিনীকে পশ্চাদপসরণ করতে হয়েছে ।  ইউক্রেইনের ঘটনাবলী আবার একবার প্রমাণ করল যে কোনও দেশে যদি বহিঃশত্রুর আক্রমণ ঘটে তাহলে সেদেশের জনগণ নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য প্রাণপণে ঝাঁপিয়ে পড়বেন এবং নিজের দেশের সরকারের পক্ষেই থাকবেন ।  সে সরকার যদি দক্ষিণপন্থী, প্রতিক্রিয়াশীল হয়,  তবুও বহিঃশত...

জনগণের অর্থে 'রাজনৈতিক মোচ্ছব'

দুর্গাপুজোর প্রায় একমাস আগে থেকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় পুজোর উৎসব  শুরুর ঘোষণা করে দিলেন । এটা এই রাজ্যে নতুন কিছু নয় ।  ক্ষমতায় আসার পর থেকেই কারণে-অকারণে একের পর এক মেলা, উৎসব ইত্যাদির আয়োজন করে তিনি আপামর রাজ্যবাসীকে মাতিয়ে রেখেছেন । গত দু'বছরের তুলনায় এবার কোভিডের প্রকোপও কম ।  তাই ফুর্তির অন্ত নেই ।  তবে কোভিড এবং লকডাউন পরবর্তী সময়ে অসংখ্য মানুষের যখন নুন আনতে পান্তা ফুরোচ্ছে,  চারদিকে একটা চাকরি পাওয়ার জন্য হাহাকার চলছে,  বহু মানুষ অভাবে জ্বালায় আত্মহত্যা করছেন  - তখন এই অতিরিক্ত আনন্দ-উৎসবের আয়োজন এক নির্মম পরিহাস ছাড়া আর কিছুই নয় ।  রাজ্যের এই কঠিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতেও ৪৩,০০০ ক্লাবকে দুর্গাপুজো করার জন্য ৬০,০০০ টাকা করে অনুদান দেওয়া হচ্ছে।  গত বছরের থেকে ১০,০০০ বেশী । এর উদ্দেশ্য একটাই।  বিভিন্ন ছোট বড় ক্লাবের সাথে যে অসংখ্য স্থানীয় যুবক যুক্ত থাকে, তাঁদের নিজেদের পক্ষে রাখা ।  এদের দিয়েই ব্রিগেড বা ২১শে জুলাই সমাবেশে লোক যোগাড় করা থেকে শুরু করে ভোটের সময় 'ভোট ম্যানেজ'(পড়ুন রিগিং) করা থেকে গ্রামে বা শহরের পাড়ায় ...

ঐতিহাসিক হুল দিবস জিন্দাবাদ

        ঐতিহাসিক হুল দিবস জিন্দাবাদ  ব্রিটিশ-বিরোধী ,  সাম্রাজ্যবাদ-বিরোধী সংগ্রামে আদিবাসী-মূলবাসী জনগণের গৌরবময় ভূমিকার পূর্ণাঙ্গ ও সঠিক মূল্যায়ন করতে হবে এবং উপযুক্ত স্বীকৃতি দিতে হবে ।  আদিবাসী-মূলবাসী জনগণের ওপর সাম্রাজ্যবাদী ও দেশীয় দালাল মুৎসুদ্দি পুঁজির আক্রমণের তীব্র বিরোধিতা করুন।  আদিবাসী-মূলবাসী জনগণের বাসস্থান, জল,  জঙ্গল, জমি দখল করার এবং  জীবন, জীবিকা,  ও অধিকার ধ্বংস করার প্রতিক্রিয়াশীল চক্রান্তের বিরুদ্ধে সমস্ত মানুষ এক হোন ।                                                      - আরেকটা কলকাতা পত্রিকা 

আমেরিকায় নারী অধিকারের ওপর মারাত্মক আঘাত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রীম কোর্ট, ৫০ বছর আগের  বিখ্যাত মামলা Roe vs Wade--এ  দেওয়া  নিজের রায়, আজ নিজেই রদ করে দিয়েছে। এর ফলে নারীদের গর্ভপাতের অধিকারের ওপর একটা বড় আঘাত নেমে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে ।  এবার থেকে আমেরিকার বিভিন্ন রাজ্য নিজেদের ইচ্ছেমতো Abortion Law বা গর্ভপাত আইন তৈরী করতে পারবে।  দক্ষিণপন্থী রিপাবলিকান পার্টি শাসিত ,  রক্ষণশীল রাজ্যগুলি ক্রিশ্চিয়ান ধর্মীয় মৌলবাদীদের তুষ্ট করার জন্য গর্ভপাতের ওপর নানা বাধানিষেধ এনে নারীদের নিজেদের শরীরের ওপর অধিকারকে খর্ব করবে বলে আশঙ্কা ।   এমনকি গর্ভপাত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধও হয়ে যেতে পারে অনেক রাজ্যে ।  Roe vs Wade যতদিন ছিল, ততদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল গভর্নমেন্ট  বা সমগ্র দেশের সরকারই একমাত্র গর্ভপাত নিয়ে আইন প্রণয়ন করতে পারতো।  তার জোরেই এতদিন অবধি গর্ভপাতের অধিকার সুরক্ষিত ছিল ।  সারা পৃথিবী জুড়েই মানব সভ্যতা আজ পিছনের দিকে হাঁটছে ।  বিভিন্ন ধর্মের,  বিভিন্ন রঙ-এর ধর্মীয় মৌলবাদীরা সক্রিয় হয়ে জনগণের মৌলিক অধিকার , গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর আঘাত নামিয়ে আনছে।...